শাকিবের ফিল্ম ক্যারিয়ারে যত পুরস্কার অর্জন করেছে....

রঙধারা স্পেশাল

শাকিবের ফিল্ম ক্যারিয়ারে যত পুরস্কার অর্জন করেছে!


দীর্ঘদিন ধরে বাংলা সিনেমায় রাজত্ব করে আসা শাকিব খান পুরস্কারের মঞ্চেও তার রাজত্ব ধরে রেখেছে। বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স পুরস্কার ইত্যাদি পুরস্কারের ট্রফিতে তার শো-র্যা ক ইতোমধ্যে প্রায় পূর্ণ করে চলেছে। এ পোস্টের মাধ্যমে শাকিবের ক্যারিয়ারে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার গুলো তুলে ধরা হল।


শাকিবের ক্যারিয়ারে পাওয়া গুরুত্বপূর্ন পুরস্কারগুলো:


ঢালিউড চলচ্চিত্র ও সংগীত পুরস্কার

ঢালিউড চলচ্চিত্র ও সংগীত নিয়ে দেওয়া এ পুরস্কারে ট্রপি ইতোমধ্যে শাকিবের কাছে মজুদ আছে। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘এক টাকার বউ’ সিনেমার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে এ পুরস্কার অর্জন করে।


লাক্স-চ্যানেল আই পারফরমেন্স পুরস্কার

লাক্স-চ্যানেল আই পারফরমেন্স পুরস্কার বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানকারী অনুষ্ঠান। এ  অনুষ্ঠানে শাকিব তিনবার মনোনয়ন পায়। যার মধ্যে ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সুভা’ ছবির জন্য দর্শক ও সমালোচক জরিপে মনোনয়ন পায় এবং ২০০৮ সালে ’প্রিয়া আমার প্রিয়া’ ছবির জন্য দর্শক জরিপে মনোনয়ন পায়। তবে ’প্রিয়া আমার প্রিয়া’ ছবির ২০০৮ সালে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।


মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার

বাংলাদেশের জনপ্রিয় পুরস্কার অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ’মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার’ শীর্ষে অবস্থান করছে। এ পুরস্কার অনুষ্ঠানে শাকিব শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা ক্যাটাগরিতে রেকর্ড করে তের বার মনোনয়ন অর্জন করে। যার মধ্যে আট বার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার নিজের অধিকারে নেয়। ২০০৬ সাল হতে শাকিব এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়ে আসছে। তবে ২০০৭ সালে ‘আমার প্রাণের স্বামী’ ছবির জন্য প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করে। 

শাকিব যে আটটি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করে, সেগুলো হল – ২০০৭ সালে আমার প্রাণের স্বামী, ২০০৮ সালে প্রিয়া আমার প্রিয়া, ২০১০ সালে ভালবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না, ২০১১ সালে কিং খান, ২০১২ সালে ডন নাম্বার ওয়ান, ২০১৩ সালে পূর্ণ দৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী, ২০১৪ সালে হিরো – দ্য সুপারস্টার, ২০১৬ সালে শিকারী।


শাকিব যে পাঁচটি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয় কিন্তু পুরস্কার পায় নি, সেগুলো হল – ২০০৬ সালে চাচ্চু, ২০১০ সালে বলবো কথা বাসর ঘরে, ২০১২ সালে আদরের জামাই, ২০১৬ সালে এই তো প্রেম!

শাকিবের মেরিল-প্রথম আলো আটটি পুরস্কারের মধ্যে সাতটিই দর্শক জরিপে অর্জন করে। অর্থাৎ শাকিব ভক্তরাই এ পুরস্কার অর্জন করতে সহযোগিতা করে। একমাত্র ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আমার প্রাণের স্বামী’ র জন্য সমালোচকরা শাকিবকে নির্বাচিত করে।


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

পুরো খবরটি দেখতে নিচের ভিডিও’টি দেখুন:

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.